COVID 19 জন্য শিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ছাত্র ছাত্রীদের জন্য করণীয়

 

করোনা ভাইরাসের জন্য শিক্ষার অভাব শুরু হয়ে গেছে।শিশু থেকে শুরু করে সকলের কাছে কমে যাচ্ছে শিক্ষার মান। কিন্তু মেনে নিতে হবে পরিস্থিতিকে। বার বার স্কুল কলেজ সব বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ছাত্র - ছাত্রীরা নষ্ট করতেছে তাদের মূল্যবান সময় বিভিন্ন অকারণে।এবং সোশ্যাল  মিডিয়ার ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।আসক্ত হচ্ছে  ফ্রি ফায়ার সহ অন্যান্য অনলাইন গেম্সের মাধ্যমে। ওপর দিকে শিক্ষার মান বিভিন্ন উপায়ে বাড়ানোর জন্য চিন্তিত শিক্ষা অধিদপ্তর কর্মকর্তারা। মনোযোগী ছাত্র -ছাত্রীরা চিন্তাই ব্যাকুল হয়ে আছে কি হবে এখন তাদের "আর অন্যদিকে অমনোযোগী ছাত্র - ছাত্রীরা আনন্দে দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে  স্কুল কলেজ বন্ধ বলে।

আর করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার অবস্থা এই পর্যায়ে মুখো মুখী দাঁড়িয়ে আছে। যদিও শিক্ষার মান আরো বাড়ানোর জন্য শুরু হয়েছে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস।ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল ,কলেজ ,মাদ্রাসায় না  গিয়েও তাদের নিয়মিত ক্লাস ঘরে বসে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে করতে সক্ষম।কিন্তু ক্লাসে অংশগ্রহণকারী ছাত্র ছাত্রীদের চাহিদা অনেক কম।কারণ এটাই যে "স্কুল ,কলেজ ,মাদ্রাসা ছাত্র -ছাত্রীদের যতটা শাসন করতে পারে "ততটা শাসন অনলাইন মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে করা সম্ভব নয়।তাই এই অবস্থায় শিক্ষার মান নির্ভর করতেছে একজন ছাত্র বা ছাত্রীর উপরে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার

শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার বলতে কি বোঝা যায় ?

শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার বলতে বোঝা যায় যে শিক্ষার জন্য প্রযুক্তিকে  খারাপ কাজে লাগানো "যেমন পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর ফাঁস"  এটি একটি শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার। এছাড়াও রয়েছে শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন ভুয়া তথ্য তুলে ধরা। এই সমস্ত কাজ গুলো মানব সমাজের শিক্ষার উপর অনেক খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার করা মোটেও উচিৎ নয়। কারণ আজগের শিশুরা আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কাউকে ভুল শিক্ষা প্রদান করা ঠিক না। এর প্রভাবে আপনার সন্তান ও শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার করা শুরু করতে পারে। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে সচেতন করুন। এবং ছাত্র -ছাত্রীদের তাঁদের নিজ মেধা বিকাশ ও জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করুন।

অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে পরীক্ষা

স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার সত্তেও ছাত্র - ছাত্রীরা যেন শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে থাকতে পারে সে বিবেচনা করে   ছাত্র -ছাত্রীদের নিকটে অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন "প্রশ্নের "মাধ্যমে" কিন্তু ছাত্র - ছাত্রীরা সেখানেও অবহেলা করে যাচ্ছে " অ্যাসাইনমেন্টের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ডউনলোড করতেছে অনলাইন পরিষেবা থেকে।


এবং সেই উত্তর অনুলিপি করে সম্পুর্ন্নভাবে "শেষ করতেছে তাদের অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ এবং সেটিকে পুনরায় জমা দেওয়া হচ্ছে স্কুল বা কলেজে। এখানে ছাত্র - ছাত্রীরা নিজেরাও বুজতেছেনা যে তাঁরা নিজেকেই "ঠকাচ্ছে " 

কারণ ছাত্র -ছাত্রীদের নিকটে অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হল " ছাত্র - ছাত্রীরা তাদের পাঠ্য বই থেকে যা শিখতে পেরেছে সে অনুযায়ী নির্ধারিত কাজ বা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর তৈরী করবে তাদের একান্ত নিজের মেধা বিকাশ থেকে। কিন্তু তাঁরা নিজের মেধা বিকাশ উৎপন্ন না করে তাঁদের মেধা বিকাশের অপব্যবহার করতেছে। এই বিষয় টি একজন ছাত্র - ছাত্রীদের কোনো অংশেই ভালো প্রভাব ফেলেনা। বরং এর প্রভাবে ছাত্র ছাত্রীরা শিখতেছে শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার করা।

মাল্টিমিডিয়ার মাধমে অনলাইন ক্লাস

একজন শিক্ষক দিন রাত পরিশ্রম করে শিক্ষার বিষয়ে ছাত্র -ছাত্রীদের নিকট মাল্টিমিডিয়ার মাধমে অনলাইন ক্লাস তৈরী করতেছে এটা শুধু মাত্র ছাত্র -ছাত্রীদের ভালো দিক অনুসরণ করে। চিন্তা ধারা এমন ছিল যে "একজন ছাত্র বা ছাত্রী সাহিত্য বই পরে যতটা "মুখস্থ" করতে পারে "তার থেকে অনেক অনেক বেশি "মুখস্থ" রাখতে পারে মাল্টিমিডিয়াকে। তাই মাল্টিমিডিয়ার মাধমে অনলাইন ক্লাস শুরু করে দেওয়া হয়েছে। যাতে  ছাত্র -ছাত্রীরা তাদের লেখাপড়াকে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আর এই বিষয় টি ছাত্র - ছাত্রীদের জন্য অনেক গুরুত্ব পূর্ণ। তাই নিয়ম মেনে মাল্টিমিডিয়ার মাধমে অনলাইন ক্লাস ছাত্র - ছাত্রীদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। 

COVID 19 জন্য ছাত্র ছাত্রীদের করণীয় ও উপদেশ

ছাত্র - ছাত্রীরা মনোযোগ দাও যে "করোনা ভাইরাসের জন্য"তোমাদের লেখাপড়া কখনোই বন্ধ করা উচিৎ নয়। আজ তোমরা তোমাদের যে মূল্যবান সময় টা  নষ্ট করতেছো ভবিস্যতের জন্য সে সময় টি আর ফেরত পাবেনা। দীর্ঘ সময় নষ্ট করে পেতে পারো  একটা "সার্টেফিকেট " কিন্তু সেই সার্টেফিকেট দ্বারা তোমরা কোনো ভালো চাকরির জন্য নিজের যোগ্যতা প্রমান করতে পারবেনা। কারণ চাকরির জন্য শুধু "সার্টেফিকেট ই যথেষ্ট নয় - প্রয়োজন অধিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ,আর বর্তমান সময়ে তোমরা যদি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন না করো "তাহলে ইহা ভবিষ্যতের জন্য তোমাদের অনেক কষ্ট স্বীকার করতে বাধ্য করবে।তাই নিজের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগ দাও, আর অপেক্ষা করো সামনের উজ্জল ভবিষ্যতের জন্য।

"করোনা ভাইরাসে " এসেছে বলে লেখা পড়া বন্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই। টেকবিএন নিউজ টিম মনে করে " স্কুল কলেজ বন্ধ তাতে কি হয়েছে "ছাত্র ছাত্রীদের (হাত ,পা)  তো বাধা নেই। "করোনা ভাইরাস " সংক্রমণের আগে তোমরা যেভাবে লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছিলে - সেভাবেই চালিয়ে যাও। এবং নিজের ভবিষ্যৎ উজ্জল করার জন্য নিজেকে সে ভাবে তৈরী করে নাও।  

"টেকবিএন নিউজ টিম" এই তথ্য উপস্থাপন করেছে শুধু মাত্র আপনার ও সমাজের ভালোর  জন্য তাই সমাজের মানুষকে সচেতন করার দায়িত্ব শুধু আমাদের নয়। এই দায়িত্ব আপনার নিজেরও  তাই "শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার" বন্ধ করার জন্য এই পোস্ট টি দয়া করে শেয়ার করুন সাধারণ মানুষের নিকটে "আমরা চাই জাতিকে একটি "সু -শিক্ষিত সমাজ" উপহার দিতে। পরিশেষে আমরা আপনাকে এটাই  চাই COVID 19 জন্য  শিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ছাত্র ছাত্রীদের জন্য করণীয় বিষয় নিয়ে আপনার মতামত কি? সে বিষয়ে আপনার মতামত "কমেন্টের " মাধ্যমে প্রকাশ করুন  "ধন্যবাদ"

Post a Comment

এখানে আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন। দয়া করে মনে রাখবেন যে পোস্ট ব্যতীত অন্য কোনো স্প্যাম মন্তব্য করবেন না টেকবিএন নিউজ কোনো স্প্যাম মন্তব্যর জন্য সীকৃতি দেয়না

Previous Post Next Post